পাকিস্তানে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিতে পৌঁছেছে ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল, যার নেতৃত্বে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের।
গত বুধবার পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, এই যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননও থাকবে।
তবে বিপত্তি ঘটে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্যে। ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই তিনি সাফ জানিয়ে দেন, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়। এরপরই লেবাননে ভয়াবহ হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী, যাতে দুই শতাধিক মানুষ নিহত এবং প্রায় ১,২০০ জন আহত হন।
ইরান এখন তাদের অবস্থানে অনড়। তাদের স্পষ্ট শর্ত— যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় বসতে হলে আগে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করতে হবে।
সর্বশেষ আপডেট:
শর্ত মানছে না ইসরায়েল: এখন পর্যন্ত লেবাননে হামলা থামানোর কোনো লক্ষণ নেই।
সংলাপ স্থগিত: ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম কান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননকে যুদ্ধবিরতিতে অন্তর্ভুক্ত না করায় ইরান আপাতত ইসলামাবাদের এই সংলাপ স্থগিত করেছে।
মূলত তেহরান চাইছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান যেকোনো সমঝোতায় লেবাননের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, যা নিয়ে বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব চলছে।
